trending

Dharmatala Chaos: ধর্মতলা কাণ্ডে ধৃতের সিপিএম যোগ, মাঠে নামুক বুঝিয়ে দেব, হুঙ্কার অর্জুন

Dharmatala Chaos: ধর্মতলা কাণ্ডে ধৃতের সিপিএম যোগ, মাঠে নামুক বুঝিয়ে দেব, হুঙ্কার অর্জুন

Here's what's trending across India right now:

কলকাতা: ধর্মতলায় ধুন্ধুমার কাণ্ডে (Dharmatala Chaos) ধৃতের সিপিএম যোগ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে ভাঙ্গড়ের বাসিন্দা মহম্মদ জহিরউদ্দিন মাল। তাঁর পরিবার সিপিএম সমর্থক। ছেলেও সিপিএম সমর্থক বলে স্বীকার করেছেন ধৃতের বাবা। আর এই নিয়ে তুঙ্গে বিজেপি-সিপিএম তর্জা।

Adding to this, ধৃতের সিপিএম যোগ নিয়ে নোয়াপাড়ার বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিংহ (Arjun Singh) সিপিএমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন। তাঁ�� দাবি সিপিএমকে তাঁদের ভাষাতেই জবাব দেওয়া হবে। তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'সিপিএম ভাবছে আমরা ওদের অত্যাচারকে ভুলে গিয়েছি। ওটা ভাবার কোনও জায়গা নেই। কিছু অতিবামপন্থী দেখেছেন তো? অমিত শাহ জি বলেছিলেন যে মাওবাদীদেরকে ৩১ মার্চের মধ্যে সর্বনাশ করা হবে। দেওয়া হবে। সিপিএম দেশ বিরোধী কাজে আগুন লাগাচ্ছে । একটু মাঠে নামুক এবার আমরা ওদের বুঝিয়ে দেব। যে ভাষা ওরা বুঝবে সে ভাষায় বোঝাব।'

Meanwhile, আরও পড়ুন:- ফের তৃণমূলের পার্টি অফিস খুলতেই উদ্ধার কন্ডোমসহ বহু জিনিসপত্র

Notably, অর্জুন সিং হের জবাবের পাল্ট দেন সুজন চক্রবর্তীও (Sujan Chakraborty)। তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'যেদিন নৈহাটির হাজীনগরে দাঙ্গার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেইদিন তো আমি ছিলাম। শমীক ভট্টাচার্য গিয়েছিলেন, আমিও গিয়েছিলাম, মান্নান সাহেবও গিয়েছিলেন। সকলেই আমরা আলাদা আলাদা করে যে যার মতো গিয়েছিলাম। সেদিন তো ওঁ শমীক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে একেবারে আগুন ছুটিয়ে দেওয়ার মতো ব্যবস্থা করছিলেন। এখন শমীক ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে ওঁ আগুন ছোটাবার ব্যবস্থা করবেন কি না,সেটা জানি না। তবে সেটাই হয়তো ওর ভবিতব্য। মানুষ বোঝে, ঐক্যবদ্ধ মানুষের প্রয়োজনে তারা এগোয়, ভবিষ্যতের প্রয়োজনে তারা এগোয়, জীবিকার প্রয়োজনে তারা এগোয়। তাদের উপরে কোনওরকমের আগুন ছোটাবার ব্যবস্থা যদি কেউ করে, মানুষ কিন্তু সেটা ছেড়ে দেবে না।'

As per the latest buzz, ধর্মতলায় ধুন্ধুমারে পুলিশ হেফাজতে ধৃত ১৪ জন। ধৃতরা কেউই ছাত্র নয়। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর-সহ তাণ্ডবে সরাসরি যুক্ত। অতীতেও একাধিক মামলায় অভিযুক্ত। দাবি পুলিশের। পাশাপাশি ধর্মতলায় জমায়েতটা বেআইনি ছিল, কোনও অনুমতিই ছিল না। উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ভাষণ শুরু হয়েছিল। লাঠি, বোতল, পাথরের আঘাতে জখম পুলিশ ও সাংবাদিকরা। দাবি সরকারি আইনজীবীর। পাশাপাশি ধর্মতলায় তাণ্ডবে সিপিএমের পাশাপাশি মিলেছে তৃণমূল যোগও। ধৃত আফরোজের তৃণমূল যোগের অভিযোগ। প্রকাশ্যে মেটিয়াবুরুজের তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে ভোটপ্রচারের ছবি। আক্রমণে মুখ্যমন্ত্রী। বিধায়কের দাবি তাঁকে তিনি চেনেনই না।

Source: ABP Ananda